Sunday, March 1, 2020

গোসলে লেবুপানি (Rupchorcha in home)


গোসলে লেবুপানি (Rupchorcha in home)


গোসলে লেবুর যোগ পাল্টে দিতে পারে চুল ও ত্বক পরিচর্যার উপকারিতা। গোসলের সময় নানা রকম উপকরণের ব্যবহার চোখে পড়ে। সাবান, শাওয়ার জেল, বডিওয়াশ থেকে শ্যাম্পু—সৌন্দর্যচর্চা বা গোসলের জরুরি অনুষঙ্গ। ব্র্যান্ডভেদে এগুলোতে ব্যবহৃত হয় নানা রকম উপাদান। কিন্তু একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে, লেবু দিয়ে তৈরি অন্তত একটা না একটা প্রসাধনী সব ব্র্যান্ডেরই আছে। এত উপাদান থাকতে লেবু কেন! লেবুর সুঘ্রাণটাই মূলত জনপ্রিয়তার কারণ। রূপচর্চার সিক্রেট টিপস।
Rupchorcha in home
লেবু শরীর সতেজ রাখে। শুধু নানা রকম পণ্যে লেবুর ব্যবহার নয়, সরাসরি লেবু দিয়েও গোসল করতে পারেন। তাতে উপকার মিলবে আরও ভালো। গোসলের সময় লেবুর খোসা বা রস—সবই উপকারী, সৌন্দর্যে সহায়ক। ত্বকের সৌন্দর্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে। সারা দিন চনমনে থাকতে গোসলে লেবুর বিকল্প কিছু ভাবাও কঠিন। নিয়ম মেনে গোসলে লেবুপানি ব্যবহার ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। রূপচর্চার সিক্রেট টিপস।
এ তো গেল ত্বকের যত্ন। চুলের পরিচর্যায়ও এর উপকারিতা অনেক। খুশকি সরানোর পাশপাশি চুলের তেলতেলে ভাব কাটায়, করে তোলে ঝলমলে উজ্জ্বল। লেবু যেহেতু প্রাকৃতিক উপাদান, তাই এটা ত্বকে বা চুলে ব্যবহারের আগে যাচাই করে দেখে নেওয়া প্রয়োজন। প্রতিক্রিয়া বিরূপ হলে এড়িয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
Rupchorcha in home
 উপকারিতাগুলো জেনে নেওয়া যেতে পারে আগেভাগে। তৈলাক্ত ত্বক যাঁদের, তাঁদের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব কাটিয়ে উঠতে লেবু সহায়ক। এমন ত্বকে গোসলের পানির সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করা গেলে দেখবেন ত্বক ক্রমেই স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। সঙ্গে শরীরে যোগ হবে বাড়তি সতেজ ভাব, যা টিকে থাকবে দিনভর। আপনার ইন্দ্রিয়গুলোকেও রাখবে সজাগ। যাঁদের শরীরে দুর্গন্ধ হয়, তাঁদের জন্য লেবুপানিতে গোসল দারুণ সমাধান। এর অ্যাসিডিক, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রোপার্টি বাজে গন্ধ দূর করতে জাদুর মতো কাজ করে। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড ত্বকের ছোপ ছোপ দাগ দূর করতে সাহায্য করে। 
গোসলের পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকে বলিরেখা পড়বে না সহজে। বলিরেখা কাটিয়ে উঠতে এই দাওয়াই ব্যবহৃত হয়ে আসছে বহু বছর আগে থেকে। গরমের দিনে লেবুপানির গোসল শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। কারও ত্বকে যদি বড় বড় লোমকূপ থাকে, তা পরিশোধিত ও সংকুচিত হতে পারে লেবুর খোসাযুক্ত পানিতে গোসল করলে। 
লেবুর পানিতে গোসলের এত এত উপকারিতা জেনেও নিশ্চয়ই আপনি হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন না। আজ থেকেই শুরু করতে পারেন সৌন্দর্যের এই নতুন যাত্রা। নিজেকে সুস্থ রেখে এগিয়ে চলুন সতেজভাবে। রূপচর্চার সিক্রেট টিপস।
লেখক: পারসোনা স্পার থাই পরামর্শক

বিয়ের আগে দুজনের ত্বকের যত্ন (Rupchorcha in home)


বিয়ের আগে দুজনের ত্বকের যত্ন (Rupchorcha in home)
সুন্দর থাকতে চান সবাই। আপনি যদি হন হবু কনে কিংবা বর, তাহলে তো কথাই নেই। আপনার বিয়ের আয়োজনে রাজ্যের ব্যস্ততম ব্যক্তিটি একমুহূর্তের জন্য এলেও আপনাকে আর আপনার জীবনসঙ্গীকেই দেখতে চাইবেন। বিয়ের আয়োজন, মঞ্চ সাজানো, খাবার পরিবেশন—সবকিছু ছাপিয়ে সবচেয়ে বড় হয়ে দাঁড়ায় বর ও কনের উপস্থিতিটাই। তবে বিয়ের পুরো আয়োজন নিয়ে ক্রমাগত কয়েক দিনের চাপ অপর্যাপ্ত ঘুম ক্লান্ত করে তোলে বর–কনেকে। তবে এত আয়োজনের মধ্যেও ব্যায়ামের অভ্যাস বজায় রাখুন। পর্যাপ্ত পানি পান করুন। সুষম খাবার খান। ভাজাপোড়া কম খান। সব সময় সুস্থ থাকার যা শর্ত, এ সময়ও তার ব্যতিক্রম যেন না হয়, সেই চেষ্টাই করুন।
Rupchorcha in home
কনের আভিজাত্য
কনেকে প্রথমে বুঝতে হবে, তাঁর ত্বকে কী ধরনের সমস্যা আছে। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। ত্বকের বিভিন্ন অংশে রঙের অসামঞ্জস্য, ব্রণ-ফুসকুড়ি, মেছতা, শুষ্কতা নানা সমস্যার সমাধানগুলো আলাদা ধরনের। বিয়ের আগে তিন মাস হাতে সময় রাখতে পারলে বিয়ের সময় ফলাফল দারুণ হয়। রেড বিউটি স্যালনের রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সেবার পাশাপাশি বাড়িতেও যত্ন নেওয়া যায় সহজেই।
* শীতের সময় শুষ্কতা দূর করতে পাকা পেঁপে, পাকা কলা, কমলার রস, মধু ও মুলতানি মাটির (বা ভেজানো মসুর ডালবাটা) প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।
* অ্যালোভেরার সঙ্গে সামান্য হলুদ মিশিয়েও প্যাক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
* মিশ্র ত্বকে তেলভিত্তিক সেরাম কিংবা তেল ব্যবহার করা যায়। গভীর থেকে ময়েশ্চারাইজ করতে ত্বকে তেল মালিশ করুন। কুসুম গরম পানিতে ভেজানো তোয়ালে চেপে রাখুন পাঁচ মিনিট। এরপর তোয়ালের উল্টো দিক দিয়ে মুছে ফেলুন।
Rupchorcha
বর হবেন যিনি
অ্যাডোনাইজের স্বত্বাধিকারী ও রূপবিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ হোসেন বলেন, বিয়ের আগে প্রস্তুতির জন্য মাসখানেক সময় হাতে রাখলে বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য ভালো। মাসখানেক আগেই একটা ফেসিয়াল করিয়ে নিতে পারেন। ১৫ দিন পর একবার টোনিং করান। বিয়ের দুই-তিন দিন আগে রোদেপোড়া ভাব কমাতে আরেকবার ফেসিয়াল করুন। এর মধ্যে বাড়িতে যা করতে পারেন-
* সপ্তাহে এক দিন এক চা–চামচ দুধের সর বা দুধ ও তিন-চারটা কাঠবাদাম (বেটে নেওয়া) দিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন। আধা চা–চামচ মধুও দিতে পারেন। মিশ্রণ ত্বকে মালিশ করুন পাঁচ-সাত মিনিট। আরও ৫-১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
* টমেটো বা শসা ব্লেন্ড করে মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। লাগানোর সময় হালকাভাবে মালিশও করতে পারেন। সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করুন। দাগ কমে আসবে।
* দুই-এক দিন পরপর ক্লিনজিং ও স্ক্রাবিঙের জন্য সুজি ও পানির মিশ্রণ দিয়ে হালকা ঘষতে পারেন দুই-পাঁচ মিনিটের জন্য। কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। কিংবা উপটানের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে পাঁচ মিনিট মালিশ করে ধুয়ে ফেলতে পারেন, ফেসওয়াশের কাজ করবে। এক-দুই দিন পরপর এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
* রোদ থেকে সুরক্ষা দেয়, এমন প্রসাধন ব্যবহার করুন।
* অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব থাকলে হাতে পানি নিয়ে ফিটকিরি ঘষুন (সাবানের মতো)। এবার এই পানিটা মুখে ও ঘাড়ে লাগিয়ে নিন। প্রতিদিন বা এক দিন পরপর প্রয়োগ করতে পারেন। এই পানি দেওয়ার পর ত্বক আর ধোয়ার প্রয়োজন নেই। বাইরে যাওয়ার আগে (সানস্ক্রিন ব্যবহারের আগে) এই পানি ব্যবহার করতে পারেন।
* রাতে ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে ভুলবেন না। টমেটো ব্লেন্ড ব্যবহার করলে সেদিন ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন না।
* ক্লিনজিং মিল্ক এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। এটি ত্বককে তৈলাক্ত করে তুলতে পারে।
সূত্র: প্রথম আলো

চুলের যত্ন (Rupchorcha in home)

চুলের যত্ন (Rupchorcha in home)
মিশ্র আবহাওয়ার কারণে তাপমাত্রা এখন হালকা গরম ও শীতের দখলে। পাল্টে যাওয়া ঋতুতে ঝলমলে আর প্রাণবন্ত চুল পেতে প্রয়োজন সঠিক চুলচর্চা। এ সময়ে অনেক ক্ষেত্রেই চুল তার চিরাচরিত রূপ হারায়। চুলের গোড়া ঘেমে যায়, চুল আঠালো হয়ে যায়। ফলে মাথার ত্বকে সংক্রমণ দেখা দেয়। শুরু হয় চুল পড়া। চুলের ডগা ফেটে যাওয়া, খুশকি হওয়া, চুল ভেঙে যাওয়া, রুক্ষ হওয়াসহ চুলে হাজারো সমস্যা দেখা দেয়।
চুল যদি অনেক বেশি অমসৃণ হয়, তাহলে আপনি চুলের স্পা করাতে পারেন। চুলে চকচকে ভাব আনার জন্য প্রোটিন ট্রিটমেন্টও খুব ভালো একটি যত্ন। এই সময়ে চুলের ডগা ফেটে যাওয়া রোধ করতে তেল মালিশ ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন। বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভের প্রধান রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি দিয়েছেন কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ। এই গরম এই ঠান্ডার সময়টুকুতে বাড়িতে বানানো প্রাকৃতিকভাবে তৈরি প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। চুলের ধরন বুঝে এ ধরনের চুলের প্যাক বানাতে পারেন ঘরে বসেই।
Rupchorcha in home 
সাধারণ চুল
টক দই, পাতলা করে কাটা পাকা কলা, এক চামচ মধু, দুই টেবিল চামচ আমলা পাউডার, পরিমাণমতো শিকাকাই ও মেথি পাউডার মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন।
ব্যবহার
প্রথমে চুল হালকা গরম তেল দিয়ে মালিশ করে নিন। তৈরি করা প্যাক লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ভালোভাবে ধুয়ে চুলের কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে দু-তিনবার ব্যবহার করতে পারেন। চুল থাকবে মসৃণ ও সুন্দর।
Rupchorcha in home
তৈলাক্ত চুল
১ টেবিল চামচ আমলকীর গুঁড়ার সঙ্গে আধা কাপ টক দই মিশিয়ে নিন। মিশ্রণ তৈরি করে ভালো করে পুরো মাথায় লাগিয়ে নিন। খেয়াল রাখুন, প্যাকটি যেন চুলের গোড়া পর্যন্ত যায়। ২০-২৫ মিনিট রেখে চুলে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে দুবার ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হবে। চুল হবে সুন্দর আর ঝরঝরে।
রুক্ষ চুল
অর্ধেক কলার সঙ্গে ডিমের কুসুম ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ২০ মিনিটের জন্য চুলে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের রুক্ষ ভাব দূর হবে।
টুকটাক
সপ্তাহে কয় দিন শ্যাম্পু করা উচিত, কী ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে—বিষয়গুলো অনেকেই জানেন না। চুলের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন শ্যাম্পু ব্যবহার করার কারণে চুলের আরও ক্ষতি করে ফেলেন। তাই নিজের চুলের ধরনের সঙ্গে মিলিয়ে ভালো একটি শ্যাম্পু বেছে নিন। শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার ব্যবহারে চুল ঝরঝরে হয়ে ওঠে। কেনা কন্ডিশনার ব্যবহার না করতে চাইলে, আছে সমাধান। এক মগ পানিতে লেবুর রস দিয়েও চুল ধুয়ে নিতে পারেন। তবে কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেন চুলের গোড়া ও মাথার ত্বকে না লেগে থাকে, সেটা খেয়াল রাখতে হবে।
মাথায় তেল লাগানো বা শ্যাম্পু করার সময় আঙুল দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মালিশ করুন। মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া দিনে কয়েকবার মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানোর পরামর্শ দিলেন শারমিন কচি। চুল সব সময় পরিষ্কার রাখুন। ভেজা চুলে মাথা আঁচড়াবেন না। সপ্তাহে অন্তত তিন-চার দিন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। চুলের কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। সপ্তাহে তিন-চার দিন গরম তেল মাথায় মালিশ করতে পারেন। এতে চুলের উপকার হয়। খুশকির জন্য পেঁয়াজের রস দিয়ে চুলের গোড়া মালিশ করতে পারেন।
সূত্র: প্রথম আলো

Friday, February 21, 2020

ত্বকের যত্নে ৫ টোটকা (Rupchorcha in home)

ত্বকের যত্নে ৫ টোটকা (Rupchorcha in home)

সারা দিনের ধুলাবালি, দূষণ ইত্যাদি থেকে ত্বককে বাঁচানোকে কেবল ‘শখের’ পরিচর্যা হিসেবে ধরলে ভুল হবে। বরং শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে গেলে, ত্বকের নানা সমস্যা ঠেকাতেও এর প্রয়োজন আছে। বাড়িতেই বানিয়ে নেওয়া যাবে, সহজলভ্য উপাদান হবে এবং পকেটসই দামে মিলবে- এই তিন ফ্যাক্টরকে মাথায় রেখে রইল কিছু ফলের ফেসপ্যাক, যা আপনার ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকর হবে।
(Rupchorcha in home)
কমলালেবু
কমলালেবুর খোসা শুকিয়ে তারপর গুঁড়া করে নিন। এবার এর সঙ্গে এক চামচ ওটমিল, কয়েক ফোঁটা মধু ও এক চামচ টক দই মেশান। কমলালেবুর খোসা ত্বকের মৃত কোষ ঝরাতে ও ত্বককে পরিষ্কার করতে বিশেষ সাহায্য করে। মধু প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার। ত্বকের বা বাইরে বেরলে শরীরের যে সব অংশ খোলা থাকে, সে সব স্থানে এই প্যাক মিনিট পনেরো মাখিয়ে রাখুন। শুকিয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন ভাল করে।
আপেল
খোসা ছাড়িয়ে আপেলের অর্ধেক অংশ বেটে নিন। এর সঙ্গে দু’চামচ মধু মিশিয়ে ত্বকে মাখুন। কিছু ক্ষম রাখার পর শুকিয়ে মধু শুকিয়ে গেলে আপেল বাটা সরিয়ে ভাল করে ধুয়ে নিন ত্বক।

www.efazprinters.bloggers.com
পাকা কলা
যে কোনও প্রকার ত্বকের জন্যই এটা খুবই উপকারী। পাকা কলার তিন-চারটি স্লাইসের সঙ্গে এক চামচ মধু ও আধ চামচ দই মেশান। কলা প্রাকৃতিক টোনার। এর সঙ্গে মধু ও দইয়ের মিশেল ত্বককে উজ্জ্বল ও নরম করতে সাহায্য করে। দশ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন এই প্যাক। সপ্তাহে তিন দিন এই প্যাক ব্যবহার করলেই চেহারায় আলাদা ঝলক দেখতে পাবেন।
(Rupchorcha in home)
পেঁপে
পাকা পেঁপের বীজ ছাড়িয়ে তিন-চারটা টুকরো করে নিন। এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মিনিট পনেরো রেখে ধুয়ে ফেলুন।
টম্যাটো
টম্যাটো প্রাকৃতিক ট্যান রিমুভার। তীব্র রোদ থেকে ঘুরে এসে এই প্যাক মাখলে তা ত্বকের ট্যান সরাতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে কাঁচা হলুদ বাটা ও টক দই মেশালে ত্বক তার পুরনো লাবণ্য ফিরে পাবে। কয়েক দিন রোদে খুব গোরাঘুরি করার পর নিষ্প্রাণ ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ফেরাতে এই প্যাক বিশেষ কার্যকর।

সূত্র: আনন্দবাজার

ত্বককে সুন্দর করে তোলার কিছু উপকারী উপায় (Rupchorcha in home)



ত্বককে সুন্দর করে তোলার কিছু উপকারী উপায়ঃ 
(Rupchorcha in home)
প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপায়ে এবং নিয়ম ব্যবহার করে দ্রুত ত্বক ফর্সা করার অনেক পদ্ধতি প্রচলিত আছে আমাদের সমাজে। ত্বক ফর্সা করার ঔষধ হিসেবে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে জন্য অনেকেই নানারকম ক্রিম বাজার থেকে কিনে ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু বাজারের বেশিরভাগ ক্রিমেই চড়া রাসায়নিক পদার্থ থাকায় ত্বক ফর্সা হওয়া দুরের কথা বরং বেশিরভাগ ফলাফলই হয় তার উল্টো।
যুগে যুগে মানুষ নিজের সৌন্দর্য নিয়ে ভেবেছে। নিজেকে যাতে অন্যের কাছে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, সেজন্য চেষ্টার ত্রুটি রাখেন না সৌন্দর্য পিপাসু পুরুষ বা মহিলারা।
(Rupchorcha in home)
সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলা ব্যস্ত জীবনে সবসময় নিজের যত্ন ঠিকমতো নেওয়া খুবই মুশকিল। তা ছাড়া দিনদিন পরিবেশও দূষণযুক্ত হয়ে পড়ছে। এতে করে নিজের সৌন্দর্য ধরে রাখা আসলেই ভীষণ মুশকিল। অথচ নিজেকে সবসময় সুন্দর ও আকর্ষণীয় রাখাটা যেন জীবনেরই একটা অংশ। আধুনিকযুগে এ কথার সত্যতা অনস্বীকার্য। নারী বা পুরুষ, একটি সুন্দর মুখের কদর কিন্তু সর্বত্রই। আর তাই নিজেকে সুন্দর দেখাতে কে না চায়!
সেই আদি যুগ থেকেই গায়ের রং নিয়ে মানুষের নানান চিন্তা। অনেকেরই কাম্য একটি ফর্সা সুন্দর ত্বকের। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, শারীরিক অসুস্থতা, দীর্ঘসময় রান্নাঘরে কাজ করা ইত্যাদি নানান কারণে ত্বক হারিয়ে ফেলে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা। হয়ে যায় কালচে ও বিবর্ণ। রং ফর্সাকারী ক্রিমের কদর তাই কমে না কখনোই। কিন্তু আসলে সত্যিই কি এসব ক্রিমে গায়ের রং ফর্সা হয়? মুখের রং হয়তো একটুখানি উজ্জ্বল হয়, কিন্তু পুরো শরীরের ত্বক? সেটা কিন্তু আসলে হয়ে ওঠে না।

(Rupchorcha in home)
সুতরাং ত্বকে উজ্জ্বল্য আনার জন্য ঘরোয়া উপকরণ ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে বা বজায় রাখতে ঘরোয়া উপকরণই এখন সৌন্দর্য্য চর্চ্চা প্রাধান্য পাচ্ছে। নানা ধরনের ঘরোয়া ফেসপ্যাক রয়েছে ত্বকের উজ্জ্বলতায়। এর মধ্যে অতি সহজ ৩টি উপায় জেনে নিন। দেখবেন ব্যবহারে কেমন তাড়াতাড়ি ত্বক ফর্সা হয়ে উঠছে। চলুন তাহলে দেখা যাক পদ্ধতি সমূহ কি কি?
১. তেঁতুলের পাল্প ত্বকে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে ২দিন এর ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।
২. লেবু ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করে নিন। মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে মিশ্রণটি লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। মিনিট ১৫ পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ৩-৪ দিন এর ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।
৩. মুসুর ডাল বেশ কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখতে হবে। ভেজা মুসুর ডাল বেটে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
তাছাড়া শহুরে পার্লারগুলোতে আছে রঙ ফর্সা করার নানান আয়োজন। যেমন স্কিন ব্লিচ, ফেয়ার পলিশসহ আরও কত কী। কিন্তু জেনে রাখুন, এই সবই আপনার ত্বকের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাহলে কী করবেন?
প্রাকৃতিক উপায়ে এবং ঘরোয়াভাবে গায়ের রং ফর্সা করার রয়েছে সহজ উপায়। শুধু তাই নয়, এভাবে যে ফর্সা রঙটা আপনি পাবেন সেটা হবে স্থায়ী। সৌন্দর্য সেটাই, যা ভেতর থেকে আসে। আসুন জেনে নেওয়া যাক প্রাকৃতিকভাবে রঙ ফর্সা করার আরো ২টি পদ্ধতি।
দুধ ও কাঁচা হলুদ:
রূপচর্চায় দুধ ও কাঁচা হলুদের ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে আসছে। প্রতিদিন এক গ্লাস উষ্ণ গরম দুধে আধা চা চামচ কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে পান করুন। এভাবে পান করতে না পারলে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। নিয়মিত হলুদ মেশানো দুধ পান করলে আপনার রং হয়ে উঠবে ভেতর থেকে ফর্সা।
দুধে কাঁচা হলুদ বাটা না মিশিয়ে করতে পারেন আরেকটি কাজ। দেড় ইঞ্চি সাইজের এক টুকরো হলুদ নিন। তারপর টুকরো করে কেটে এক গ্লাস দুধে দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। দুধ গাঢ় হলুদ রঙ ধারণ করলে পান করুন। এভাবে প্রতিদিন একবার করে পান করতে থাকুন।
কাঁচা হলুদ :
শুধু দুধের সঙ্গে নয়, বাহ্যিক রূপচর্চাতেও হলুদ আপনার রঙ ফর্সা করতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে কালচে ছোপ দূর করতে এই পদ্ধতি খুব কার্যকর।
উপকরণ : দুধ 2 টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, এবং কাঁচা হলুদ বাটা ১ চা চামচ।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
দুধ, লেবুর রস ও হলুদ বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে একটি মিশ্রন বা পেস্ট তৈরি করুন। সারা মুখে এই পেস্ট ভালভাবে লাগিয়ে প্যাকটি শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। গরম পানিতে মুখ ধোবেন না এবং অন্তত ১0 ঘণ্টা রোদে যাবেন না। নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বকের রং হয়ে উঠবে ফর্সা, কোমল, দাগমুক্ত ও সুন্দর।
তাহলে আর দেরি কেন? বাড়িতে বসে প্রাকৃতিক উপায়ে নিজে থেকে হয়ে উঠুন ফর্সা, সুন্দর। ধন্যবাদ সবাইকে। ভাললাগলে শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানিয়ে দিন।